উমরা আদায়ের সংক্ষিপ্ত নিয়ম
লেখক: মুসলেহুদ্দীন মাযহারী
সম্পাদনায়: শায়খ ওবাইদুর রহমান বুখারী
( গবেষক, আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়)।
১) গোসল করে ইহরাম করা সুন্নাত।
২) সেলাই বিহীন পোশাক পরিধান করতে হবে।
৩) মীক্বাতে পৌঁছে আল্লাহুম্মা লাব্বাইকা উমরাতান পড়তে হবে।
৪) কা' বায় পৌঁছা পর্যন্ত লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক লা শারীকালাকা লাব্বাইক ইন্নাল হামদা অন নি' মাতা লাকা অল মুল্ক লা শারীকা লাক পড়বে।
৫) কা' বায় পৌঁছে হাজারে আসওয়াদ থেকে তাওয়াফ শুরু করতে হবে।
৬) তাওয়াফের সময় ইহরামের কাপড় ডান বগলের নিচে দিয়ে নেবেন। তাওয়াফ চলাকালীন সালাতের সময় হয়ে গেলে কাপড় বগলের নীচ থেকে উঠিয়ে নেবেন।
৭) হাজারে আসওয়াদের আগের কোনটা হল রুকনে ইয়ামানী, সম্ভব হলে হাত দিয়ে স্পর্শ করবে। কিন্তু চুম্বন করবে না।
৮ ) রুকনে ইয়ামানী থেকে হাজারে আসওয়াদ পর্যন্ত রব্বানা আতিনা ফিদ দুনয়া হাসানাতাও অফিল আখিরাতি হাসানাতাও অক্বিনা আযাবান নার পড়বেন।
৯) প্রথম তিন তাওয়াফে রামল (একটু জোরে গুটি গুটি পায়ে হাঁটবেন।
১০) তাওয়াফ শেষে ইহরামের কাপড় বগলের নীচ থেকে উঠিয়ে ঘাড় ঢেকে নেবেন এবং সম্ভব হলে মাক্বামে ইব্রাহীমের সামনে কিংবা যে কোন জায়গায় দুই রাকআত সুন্নাত পড়বেন। তারপর জমজমের পানি পান করবেন।
১১) তারপর সাফা পৌঁছে ইন্নাস সফা অল মারওয়াতা মিন শাআইরিল্লাহ,আবদাউ বিমা বাদআল্লাহু বিহী পড়বেন। তারপর সাফা মারওয়া সাঈ করবেন। সাফা মারওয়ায় চিন্হিত সবুজ বাতির সামনে পুরুষরা সম্ভব হলে দৌড়াবেন।
সাফা ও মারওয়া প্রত্যেক জায়গায় হাত তুলে তিনবার করে এই দুআ পড়বেন।
" লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু অহদাহু লা শারীকালাহু লাহুল মুলকু অলাহুল হামদু অ হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বদীর, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু অহদাহু আনজাযা অ'দাহু অ নাসারা আবদাহু অ হাযামাল আহযাবা অহদাহু।
সাঈ করার সময় যে কোন দুআ পড়বেন।
১২) সর্বশেষ মাথা মুন্ডন অথবা চুল ছেঁটে নেবেন।
তারপর গোসল করে নেবেন।
ইহরামের কাজ শেষ ।

