ইসলামের মূল স্তম্ভ শিশুদের ইসলামিক নাম হাদীস দৈনন্দিন জীবন ও মাসআলা ইসলাম ও মুসলিম সমাজ মাল্টিমিডিয়া/লাইব্রেরি

মুহাররাম মাসের ফজিলত, করণীয় ও বর্জনীয়সমূহ

Muharram


মুহাররাম কি?

এটি আরবী বছরের প্রথম মাস। আরবী ১২ টি মাসের মধ্যে ৪টি হারাম মাসের একটি।

১০ই মহররমের ইতিহাস

মুহাররামের ১০ম দিনকে আশুরা বলা হয়। এদিন আল্লাহ্ মুসা (আঃ) এবং তাঁর জাতিকে ফেরাউনের জুলুম থেকে মুক্তি দিয়েছেন। এ উপলক্ষে ইহুদীরাও এ দিন সিয়াম পালন করত।

মহরম মাসের রোজার ফজিলত বা আশুরার রোজার ফজিলত

রাসূল (ﷺ) বলেছেন, রামাদানের পর সবচেয়ে উত্তম সিয়াম (রোজা) হল মুহাররাম মাসের সিয়াম।
(সহিহ মুসলিম: ১৯৮২)
নবী (ﷺ) মদিনায় হিজরতের পর দেখেন ইহুদীরা এ দিনে সিয়াম পালন করছে। নবী (ﷺ) বললেন, আমরা মূসার অনুসরণ করার ব্যাপারে তোমাদের চাইতে অধিক হকদার। তিনি নিজে সে দিনের সিয়াম পালন করলেন এবং সাহাবীদেরকেও নির্দেশ দিলেন।
(বুখারী: ১৮৬৫)
এদিনের সিয়ামের ফজিলত সম্পর্কে রাসূল (ﷺ) বলেন, আল্লাহর কাছে আশা করি তিনি বিগত এক বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন।
(সহীহ মুসলিম: ১১৬২)

মহররম মাসের রোজা কয়টি?

মুহাররামের ৯ ও ১০ তারিখে সিয়াম পালন করা রাসূল (ﷺ) ইহুদিদের ব্যতিক্রম করতে বলেছেন। যেহেতু এদিন ইয়াহুদিরাও সিয়াম (রোজা) রাখে তাই তাদের ব্যতিক্রম স্বরুপ ৯ মুহাররামেও সিয়াম পালন করা উচিত। কেননা রাসূল (ﷺ) বলেছেন, আমি যদি আগামী বছর বেচে থাকি তাহলে ৯ এবং ১০ দু'দিনই সিয়াম (রোজা) রাখব। (সহিহ মুসলিম: ১৯১৬)

মুহাররাম মাসের বর্জনীয় আমলসমূহ

এ দিনকে কারবালার দিন হিসাবে উদযাপন করা। হুসেইন (রাঃ) এর মৃত্যুর স্মরনে শরীরে আঘাত করা, শরীর রক্তাক্ত করা, তাজিয়া মিছিল ইত্যাদি করা সবই বর্জনীয় আমল। এগুলো রাসূল (ﷺ) এবং সাহাবীগণ থেকে প্রমাণিত নয়।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন