রক্ত দিলে সিয়াম (রোজা) ভঙ্গ হবে কি?
লিখেছেনঃ মুসলেহুদ্দীন মাযহারী
আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
প্রিয় পাঠক!
রোযা অবস্থায় রক্ত দিলে রোযা ভাঙবে না।
কারণ:-
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোযা অবস্থায় শিঙ্গা লাগাতেন।
চলুন দেখি এই সম্পর্কিত হাদীস গুলো:-
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا; أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - احْتَجَمَ وَهُوَ مُحْرِمٌ, وَاحْتَجَمَ وَهُوَ صَائِمٌ
ইবনু ‘আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহরিম অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন এবং সায়িম (রোযা রাখা) অবস্থায়ও শিঙ্গা লাগিয়েছেন।
(সহীহুল বুখারী হাদীস নং ১৯৩৮)
প্রিয় পাঠক!
এই হাদীস থেকে প্রমাণিত হলো যে, সিয়াম অবস্থায় শিঙ্গা লাগালে বা রক্ত দিলে সিয়াম ভঙ্গ হয় না।
চলুন যারা বলছেন রোযা অবস্থায় শিঙ্গা লাগালে বা রক্ত দিলে সিয়াম ভঙ্গ হয়ে যায় সেই হাদীস টা দেখি:-
عَنْ شَدَّادِ بْنِ أَوْسٍ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - أَتَى عَلَى رَجُلٍ بِالْبَقِيعِ وَهُوَ يَحْتَجِمُ فِي رَمَضَانَ. فَقَالَ: «أَفْطَرَ الْحَاجِمُ وَالْمَحْجُومُ»
শাদ্দাদ বিন আওস রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাক্বী নামক স্থানে একটি লোকের নিকট এলেন- সে তখন রমাযান মাসে শিঙ্গা লাগাচ্ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, শিঙ্গা যে লাগালো আর যার শরীরে লাগানো হলো উভয়েই রোযা ( সওম) ভঙ্গ করে ফেলেছে।
প্রিয় পাঠক!
এই হাদীস থেকে প্রমাণিত হলো যে, সিয়াম অবস্থায় শিঙ্গা লাগালে বা রক্ত দিলে সিয়াম ভঙ্গ হয় না।
চলুন যারা বলছেন রোযা অবস্থায় শিঙ্গা লাগালে বা রক্ত দিলে সিয়াম ভঙ্গ হয়ে যায় সেই হাদীস টা দেখি:-
عَنْ شَدَّادِ بْنِ أَوْسٍ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - أَتَى عَلَى رَجُلٍ بِالْبَقِيعِ وَهُوَ يَحْتَجِمُ فِي رَمَضَانَ. فَقَالَ: «أَفْطَرَ الْحَاجِمُ وَالْمَحْجُومُ»
শাদ্দাদ বিন আওস রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাক্বী নামক স্থানে একটি লোকের নিকট এলেন- সে তখন রমাযান মাসে শিঙ্গা লাগাচ্ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, শিঙ্গা যে লাগালো আর যার শরীরে লাগানো হলো উভয়েই রোযা ( সওম) ভঙ্গ করে ফেলেছে।
(সুনান আবী দাউদ হাদীস নং ২৩৬৯, ইবনু খুযায়মাহ্ হাদীস নং ১৯৬৪, নাসায়ী হাদীস নং ৩১৪৪, ইবনু মাজাহ্ হাদীস নং ১৬৮০, মুসনাদ আহমাদ হাদীস নং ১৬৬৬৩)
প্রিয় পাঠক! এই হাদীস থেকে প্রমাণিত হলো যে, রক্ত দিলে সিয়াম ভঙ্গ হয়ে যায়।
কিন্তু এই হাদীসটি হলো মানসূখ বা রোহিত।
( মুক্বাদ্দামাহ্ ইবনিস স্বলাহ মা'রিফাতু আনওয়াঈ উলূমিল হাদীস ১/২৭৮ মাশীখাহ্ আল ক্বাযবীনী ১/১০৪ আল মুক্বনি'ফী উলূমিল হাদীস লি ইবনিল মুলাক্বিন ২/৪৬১)
এবারে চলুন দেখি নাসিখ ও মানসূখ কাকে বলে:-
ফাযীলাতুশ শায়খ ডঃ মাহমূদ আত তহ্হান রহঃ তাঁর গ্রন্থে এর সংজ্ঞা নিয়ে এসেছেন,
رفع الشارع حكمها منه متقدماً بحكم منه متأخر ( تيسير مصطلح الحديث ٧٤ صفحة )
শরীয়ত প্রণেতার প্রথম আদেশ বা নির্দেশকে পরের আদেশ বা নির্দেশ দ্বারা উঠিয়ে নেওয়া।
প্রিয় পাঠক! এই হাদীস থেকে প্রমাণিত হলো যে, রক্ত দিলে সিয়াম ভঙ্গ হয়ে যায়।
কিন্তু এই হাদীসটি হলো মানসূখ বা রোহিত।
( মুক্বাদ্দামাহ্ ইবনিস স্বলাহ মা'রিফাতু আনওয়াঈ উলূমিল হাদীস ১/২৭৮ মাশীখাহ্ আল ক্বাযবীনী ১/১০৪ আল মুক্বনি'ফী উলূমিল হাদীস লি ইবনিল মুলাক্বিন ২/৪৬১)
এবারে চলুন দেখি নাসিখ ও মানসূখ কাকে বলে:-
ফাযীলাতুশ শায়খ ডঃ মাহমূদ আত তহ্হান রহঃ তাঁর গ্রন্থে এর সংজ্ঞা নিয়ে এসেছেন,
رفع الشارع حكمها منه متقدماً بحكم منه متأخر ( تيسير مصطلح الحديث ٧٤ صفحة )
শরীয়ত প্রণেতার প্রথম আদেশ বা নির্দেশকে পরের আদেশ বা নির্দেশ দ্বারা উঠিয়ে নেওয়া।
(তাইসীরু মুসত্বলাহিল হাদীস ৭৪ পৃষ্ঠা)
প্রিয় পাঠক মন্ডলী!
আমরা নাসিখ ও মানসূখ সম্পর্কে অবগত হলাম যে, পূর্বের বা প্রথম আমল বা নির্দেশকে মানসূখ বলে আর পরের বিধানটা হলো নাসিখ।
অর্থাৎ পরের নির্দেশ বা আমল পূর্বের নির্দেশকে রোহিত বা বাতিল করে।
তাই নাসিখের উপর আমল হয় কিন্তু মানসূখের উপর আমল হয় না।
আর এই হাদীসকে মানসূখ করেছে আব্দুল্লাহ্ ইবনে আব্বাস রাঃ এর হাদীস।
যা আমি প্রথমেই নিয়ে এসেছি।
প্রিয় পাঠক!
এবারে চলুন কিভাবে বুঝবো যে, কোনটা পরের আমল বা নির্দেশ!
এই সম্পর্কে শায়খ ডঃ মাহমূদ আত তহ্হান রহঃ বলেন,
فقد جاء في بعض طرق حديث شداد أن ذلك كان زمن الفتح ،وان ابن عباس رضي الله عنه صحبه في حجة الوداع ( تيسير مصطلح الحديث ٧٥ صفحة )
শাদ্দাদ বিন আওস রাযিয়াল্লাহু আনহু এর হাদীস বিভিন্ন সূত্রে প্রমাণিত হয় যে,এটা মক্কা বিজয়ের সময়ের আর ইবনে আব্বাস (রাঃ) হাজ্জাতুল বিদায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলেন।
প্রিয় পাঠক মন্ডলী!
আমরা নাসিখ ও মানসূখ সম্পর্কে অবগত হলাম যে, পূর্বের বা প্রথম আমল বা নির্দেশকে মানসূখ বলে আর পরের বিধানটা হলো নাসিখ।
অর্থাৎ পরের নির্দেশ বা আমল পূর্বের নির্দেশকে রোহিত বা বাতিল করে।
তাই নাসিখের উপর আমল হয় কিন্তু মানসূখের উপর আমল হয় না।
আর এই হাদীসকে মানসূখ করেছে আব্দুল্লাহ্ ইবনে আব্বাস রাঃ এর হাদীস।
যা আমি প্রথমেই নিয়ে এসেছি।
প্রিয় পাঠক!
এবারে চলুন কিভাবে বুঝবো যে, কোনটা পরের আমল বা নির্দেশ!
এই সম্পর্কে শায়খ ডঃ মাহমূদ আত তহ্হান রহঃ বলেন,
فقد جاء في بعض طرق حديث شداد أن ذلك كان زمن الفتح ،وان ابن عباس رضي الله عنه صحبه في حجة الوداع ( تيسير مصطلح الحديث ٧٥ صفحة )
শাদ্দাদ বিন আওস রাযিয়াল্লাহু আনহু এর হাদীস বিভিন্ন সূত্রে প্রমাণিত হয় যে,এটা মক্কা বিজয়ের সময়ের আর ইবনে আব্বাস (রাঃ) হাজ্জাতুল বিদায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলেন।
(তাইসীরু মুসত্বলাহিল হাদীস ৭৫ পৃষ্ঠা)
প্রিয় পাঠক!
এখানে স্পষ্ট জানতে পারলাম যে, ইবনে আব্বাস রাঃ এর ঘটনা বিদায় হজ্জ বা শেষের ঘটনা।
এই জন্যই নাসিক ও মানসূখের আলোচনা করতে গিয়ে ডঃ মাহমূদ আত তহ্হান রহঃ শাদ্দাদ বিন আওস রাযিয়াল্লাহু আনহু এর হাদীসকে মানসূখ আর ইবনে আব্বাস রাঃ এর হাদীসকে নাসিখ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
এ ছাড়া আরো কয়েকজন সাহাবী রাযিয়াল্লাহু আনহুম থেকে এমন ( أفطر الحاجم والمحجوم ) বর্ণনা পাওয়া যায়, সেগুলো সবই মানসূখ বা রোহিত।
এবারে চলুন দেখি এই সমস্ত হাদীসকে মানসূখ করে এমন নাসিখ হাদীস আরো কিছু।
আবূ সাঈদ খুদরী রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত,
أنه رخص في الحجامة للصائم ( مصنف ابن أبي شيبة ٣/٥١).
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোযাদারের জন্য হিজামাহ্ বা শিঙ্গা লাগানোর অনুমতি দিয়েছেন।
প্রিয় পাঠক!
এখানে স্পষ্ট জানতে পারলাম যে, ইবনে আব্বাস রাঃ এর ঘটনা বিদায় হজ্জ বা শেষের ঘটনা।
এই জন্যই নাসিক ও মানসূখের আলোচনা করতে গিয়ে ডঃ মাহমূদ আত তহ্হান রহঃ শাদ্দাদ বিন আওস রাযিয়াল্লাহু আনহু এর হাদীসকে মানসূখ আর ইবনে আব্বাস রাঃ এর হাদীসকে নাসিখ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
এ ছাড়া আরো কয়েকজন সাহাবী রাযিয়াল্লাহু আনহুম থেকে এমন ( أفطر الحاجم والمحجوم ) বর্ণনা পাওয়া যায়, সেগুলো সবই মানসূখ বা রোহিত।
এবারে চলুন দেখি এই সমস্ত হাদীসকে মানসূখ করে এমন নাসিখ হাদীস আরো কিছু।
আবূ সাঈদ খুদরী রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত,
أنه رخص في الحجامة للصائم ( مصنف ابن أبي شيبة ٣/٥١).
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোযাদারের জন্য হিজামাহ্ বা শিঙ্গা লাগানোর অনুমতি দিয়েছেন।
(মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ্ ৩/৫১)
আল্লামাহ্ নাসিরুদ্দীন আলবানী রহঃ এই হাদীসের সানাদকে সাহীহ্ মাওক্বুফ বলেছেন।
আল্লামাহ্ নাসিরুদ্দীন আলবানী রহঃ এই হাদীসের সানাদকে সাহীহ্ মাওক্বুফ বলেছেন।
(সহীহ্ ইবনে খুযায়মাহ্ ৩/২৩২ হাদীস নং ১৯৭১)
وَعَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ - رضي الله عنه - قَالَ: أَوَّلُ مَا كُرِهَتِ الْحِجَامَةُ لِلصَّائِمِ; أَنَّ جَعْفَرَ بْنَ أَبِي طَالِبٍ اِحْتَجَمَ وَهُوَ صَائِمٌ, فَمَرَّ بِهِ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَ: «أَفْطَرَ هَذَانِ» , ثُمَّ رَخَّصَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - بَعْدُ فِي الْحِجَامَةِ لِلصَّائِمِ, وَكَانَ أَنَسٌ يَحْتَجِمُ وَهُوَ صَائِمٌ. رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ وَقَوَّاهُ -
আনাস বিন মালিক রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, প্রথম দিকে সিঙ্গা লাগান মাকরূহ হবার কারণ ছিল, জাফার বিন আবী তালিব রাযিয়াল্লাহু আনহু সওমের অবস্থায় সিঙ্গা লাগিয়েছিলেন আর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন, তিনি বললেন-এরা দুজনেই সওম ভঙ্গ করে ফেলেছে। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সায়িমকে সিঙ্গা লাগানোর ব্যাপারে অবকাশ দিয়েছেন। ফলে আনাস রাযিয়াল্লাহু আনহু সায়িম অবস্থায় সিঙ্গা লাগাতেন।
وَعَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ - رضي الله عنه - قَالَ: أَوَّلُ مَا كُرِهَتِ الْحِجَامَةُ لِلصَّائِمِ; أَنَّ جَعْفَرَ بْنَ أَبِي طَالِبٍ اِحْتَجَمَ وَهُوَ صَائِمٌ, فَمَرَّ بِهِ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَ: «أَفْطَرَ هَذَانِ» , ثُمَّ رَخَّصَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - بَعْدُ فِي الْحِجَامَةِ لِلصَّائِمِ, وَكَانَ أَنَسٌ يَحْتَجِمُ وَهُوَ صَائِمٌ. رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ وَقَوَّاهُ -
আনাস বিন মালিক রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, প্রথম দিকে সিঙ্গা লাগান মাকরূহ হবার কারণ ছিল, জাফার বিন আবী তালিব রাযিয়াল্লাহু আনহু সওমের অবস্থায় সিঙ্গা লাগিয়েছিলেন আর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন, তিনি বললেন-এরা দুজনেই সওম ভঙ্গ করে ফেলেছে। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সায়িমকে সিঙ্গা লাগানোর ব্যাপারে অবকাশ দিয়েছেন। ফলে আনাস রাযিয়াল্লাহু আনহু সায়িম অবস্থায় সিঙ্গা লাগাতেন।
(দারাক্বুতনী ২/১৮২ বুলূগুল মারাম হাদীস নং ৬৮৭)
ইমাম দারাকুৎনী একে কাবি (মজবুত) সানাদ হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন।
ইমাম দারাক্বুতনী রহঃ এই হাদীসের শেষাংশে বলেছেন,এই হাদীসের সানাদের সমস্ত বর্ণনাকারী বিশ্বস্ত এবং আমি এর কোন ইল্লাত বা ত্রুটি জানিনা।
ইমাম দারাকুৎনী একে কাবি (মজবুত) সানাদ হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন।
ইমাম দারাক্বুতনী রহঃ এই হাদীসের শেষাংশে বলেছেন,এই হাদীসের সানাদের সমস্ত বর্ণনাকারী বিশ্বস্ত এবং আমি এর কোন ইল্লাত বা ত্রুটি জানিনা।
(সুনানুদ দারাক্বুতনী হাদীস নং ২২৬০)
আল্লামাহ্ হাফিয যুবাইর আলী যাঈ রহঃ বলেন, এই হাদীস হাসান লিযাতিহী।
আল্লামাহ্ হাফিয যুবাইর আলী যাঈ রহঃ বলেন, এই হাদীস হাসান লিযাতিহী।
(ফাতাওয়া আল ইলমিয়্যাহ লিহাফিয যুবাইর আলী যাঈ ৩/১৫০)
আল্লামাহ্ নাসিরুদ্দীন আলবানী রহঃ বলেন,
حديث أنس هذا صريح في نسخ الأحاديث المتقدمة ( ارواء الغليل ٤/٧٣).
অর্থাৎ: আনাস রাযিয়াল্লাহু আনহু এর এই হাদীস পুর্বের ( অর্থাৎ রক্ত দিলে সিয়াম ভেঙে যায়) হাদীস সমূহ কে স্পষ্ট ভাবে মানসূখ বা রোহিত করে।
অর্থাৎ আনাস রাঃ এর এই হাদীস নাসিখ বা আমলযোগ্য।
( ইরওয়াউল গালীল ৪/৭৩)
প্রিয় পাঠক!
এই হাদীস থেকে স্পষ্ট হয়ে গেল যে, পূর্বের আমল রোহিত বা বাতিল এবং পরে তা অনুমোদিত।
সুতরাং রোযা অবস্থায় রক্ত দেওয়া অনুমোদিত এবং এটা সহীহ্ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত আলহামদুলিল্লাহ।
অতএব সৌদি আরবের উলামা সহ যারাই বলেছেন রক্ত দিলে সিয়াম ভঙ্গ হয়ে যাবে তাঁরা নিঃসন্দেহে ভুল বলেছেন।আর তাঁরা শাদ্দাদ বিন আওস রাযিয়াল্লাহু আনহু এর রোহিত হাদীস থেকেই এই ফাতাওয়া প্রদান করেছেন, যা গ্রহণযোগ্য নয়।
এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে দেখুন ( মাজমাউয যাওয়াইদ باب جواز الحجامة للصائم রোযাদারের জন্য হিজামাহ্ বৈধ অধ্যায় ৩/১৭০ ফিক্বহুল হাদীস ১/৭২৪ পৃষ্ঠা সিঙ্গী ইয়া পাছনে লাগওয়ানে সে রোযাহ্ নেহী টূটতা ( শিঙ্গা লাগালে রোযা ভাঙবে না অধ্যায়, ফাতাওয়া আল ইলমিয়্যাহ ৩/১৪৯-১৫১)।
প্রিয় পাঠক!
লেখনীর সারাংশ হল রোযা অবস্থায় রক্ত দিলে রোযা ভাঙবে না।
আল্লামাহ্ নাসিরুদ্দীন আলবানী রহঃ বলেন,
حديث أنس هذا صريح في نسخ الأحاديث المتقدمة ( ارواء الغليل ٤/٧٣).
অর্থাৎ: আনাস রাযিয়াল্লাহু আনহু এর এই হাদীস পুর্বের ( অর্থাৎ রক্ত দিলে সিয়াম ভেঙে যায়) হাদীস সমূহ কে স্পষ্ট ভাবে মানসূখ বা রোহিত করে।
অর্থাৎ আনাস রাঃ এর এই হাদীস নাসিখ বা আমলযোগ্য।
( ইরওয়াউল গালীল ৪/৭৩)
প্রিয় পাঠক!
এই হাদীস থেকে স্পষ্ট হয়ে গেল যে, পূর্বের আমল রোহিত বা বাতিল এবং পরে তা অনুমোদিত।
সুতরাং রোযা অবস্থায় রক্ত দেওয়া অনুমোদিত এবং এটা সহীহ্ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত আলহামদুলিল্লাহ।
অতএব সৌদি আরবের উলামা সহ যারাই বলেছেন রক্ত দিলে সিয়াম ভঙ্গ হয়ে যাবে তাঁরা নিঃসন্দেহে ভুল বলেছেন।আর তাঁরা শাদ্দাদ বিন আওস রাযিয়াল্লাহু আনহু এর রোহিত হাদীস থেকেই এই ফাতাওয়া প্রদান করেছেন, যা গ্রহণযোগ্য নয়।
এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে দেখুন ( মাজমাউয যাওয়াইদ باب جواز الحجامة للصائم রোযাদারের জন্য হিজামাহ্ বৈধ অধ্যায় ৩/১৭০ ফিক্বহুল হাদীস ১/৭২৪ পৃষ্ঠা সিঙ্গী ইয়া পাছনে লাগওয়ানে সে রোযাহ্ নেহী টূটতা ( শিঙ্গা লাগালে রোযা ভাঙবে না অধ্যায়, ফাতাওয়া আল ইলমিয়্যাহ ৩/১৪৯-১৫১)।
প্রিয় পাঠক!
লেখনীর সারাংশ হল রোযা অবস্থায় রক্ত দিলে রোযা ভাঙবে না।

