উমার রাঃ থেকে তারাবীহ ২০ নাকি ৮ রাকআত?
মুসলেহুদ্দীন মাযহারী
উমার রাঃ এর যুগে তারাবীহ ২০ রাকআত হোতো মর্মে কয়েকটি বর্ণনা পাওয়া যায়।সেগুলোর পর্যালোচনা করবো ইন শা আল্লাহ ।
আসারগুলো নিম্নে উল্লেখ করা হল ঃ-
وَقَدْ أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللهِ الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ فَنْجَوَيْهِ الدَّيْنَوَرِيُّ بِالدَّامَغَانِ، ثنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ السُّنِّيُّ، أنبأ عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ، ثنا عَلِيُّ بْنُ الْجَعْدِ، أنبأ ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ خُصَيْفَةَ، عَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ قَالَ: " كَانُوا يَقُومُونَ عَلَى عَهْدِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ فِي شَهْرِ رَمَضَانَ بِعِشْرِينَ رَكْعَةً
সাইব বিন ইয়াযিদ বলেন,তারা উমারের যুগে রমাযান মাসে কুড়ি (২০) রাকআত পড়তেন (আস সুনানুল কুবরা বায়হাকী হা/৪২৮৮ মুসনাদ ইবনুল জা’দ হা/২৮২৫)।
হাদিসটির তাহকীক ঃশায বা যঈফ ।
১) ইয়াযিদ বিন খুসাইফা বিশ্বস্থ
ইয়াহইয়া ইবনু মাঈন,ইমাম নাসাঈ ও ইমাম ইবনু হাজার তাঁকে বিশ্বস্থ বলেছেন ।
(আত তবাকাতুল কুবরা ১/২৭৪ জীবনী/১৫৫, আল জারহু অত তা’দীল জীবনী/১১৫৩, তাহযীবুত তাহযীব ৮/৬৭, লিসানুল মীযান ২/৩৬২)।
এই আসারগুলো কয়েকটি হাদীসগ্রন্থে আছে আর প্রত্যেকটাতে ইয়াযিদ বিন খুসাইফা আছেন ।
এই আসারটি শায। কারণ ইয়াযিদ বিন খুসাইফা তার চাইতে অধিক বিশ্বস্থ বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ বিন ইউসুফের বর্ণিত এগারো (১১) রাকআত হাদীসের বিপরীতে বা পরিপন্থী বর্ণনা করেছেন ।
প্রকাশ থাকে যে,শায হাদীস যঈফ হাদিসেরই অংশ ।
দ্বিতীয় আসারঃ
أنبأ أَبُو أَحْمَدَ الْعَدْلُ، أنبأ مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ الْمُزَكِّي، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، ثنا ابْنُ بُكَيْرٍ، ثنا مَالِكٌ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ رُومَانَ قَالَ: " كَانَ النَّاسُ يَقُومُونَ فِي زَمَانِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ فِي رَمَضَانَ بِثَلَاثٍ وَعِشْرِينَ رَكْعَةً "
রুমান বিন ইয়াযিদ বলেন,উমার রাঃ এর যুগে লোকেরা রমাযানে তেইশ রাকআত পড়ত (বায়হাকী হা/৪২৮৯)।
এই আসারটিও যঈফ । কারণ “ইয়াযিদ বিন রুমান”উমার রাঃ এর যুগ পায়নি ।
وفيه أن هذا الأثر منقطع غير صالح للاستدلال؛ لأن يزيد بن رومان لم يدرك عمر بن الخطاب كما صرح به الزيلعي والعيني وغيرهما
আল্লামাহ উবাইদুল্লাহ রহমানী মুবারাকপুরী রহঃ বলেন, এই আসারটি বিচ্ছিন্ন ।এটা থেকে ইস্তিদলাল বা দলীল নেওয়া ঠিক হবে না। কেননা ইয়াযিদ বিন রুমান উমার রাঃ কে পায়নি ।যেমনটি ইমাম যাইলাঈ ও আল্লামা আইনীসহ অন্যান্যরা পরিষ্কার করেছেন (মিরআতুল মাফাতীহ ৪/৩৩৪)।
فان يزيد بن رومان لم يدرك عمر(البدر المنير 4:351)
নিশ্চয় ইয়াযিদ বিন রুমান উমার রাঃ কে পায়নি (আল বাদরুল মুনীর ইবনুল মুলাক্কিন ৪/৩৫১)।
يزيد بن رومان لم يدرك عمروكذا ضعفه النووي في " المجموع " فقال: (4 / 33) :
رواه البيهقي ولكنه مرسل فإن يزيد بن رومان لم يدرك عمر
وكذلك ضعفه العيني بقوله: في " عمدة القاري شرح صحيح البخاري " (5 / 357) : " سنده منقطع “
ইয়াযিদ বিন রুমান উমার রাঃ কে পায়নি ।যেমনটি ইমাম নববী আল মাজমু গ্রন্থে ৪/৩৩ যঈফ বলেছেন । তিনি বলেন,ইমাম বায়হাকী বর্ণনা করেছেন কিন্ত সেটা মুরসাল ।কেননা ইয়াযিদ বিন রুমান উমার রাঃ কে পায়নি ।
অনুরুপ আইনী হানাফী( উমদাতুল কারী ৫/৩৫৭) বলেন, সানাদ বিচ্ছিন্ন ।
এটা আল্লামাহ নাসীরুদ্দীন আলবানী তাঁর গ্রন্থ (সলাতুত তারাবীহ ১/৬২-৬৩)উল্লেখ করেছেন ।
أن هذا الحديث معلول ومعارض.
أما علته: فهو منقطع؛ لأن يزيد بن رومان لم يدرك عمر، كما نص على ذلك أهل الحديث كالنووي وغيره.
وأما معارضته: فقد عارضه ما رواه مالك في الموطأ عن محمد بن يوسف، وهو ثقة ثبت শায়খ সলিহ বিন উসাইমিন রহঃ বলেন,নিশ্চয় এই হাদিসটি ত্রুটিপূর্ণ ও সহীহ হাদীস বিরোধী ।তাঁর কারণ ,সেটা বিচ্ছিন্ন ।কেননা ইয়াযিদ বিন রুমান উমার রাঃ কে পায়নি।
সহীহ হাদীস বিরোধী ঃমুয়াত্তা মালিকে বর্ণিত মুহাম্মাদ বিন ইউসুফের (এগারো রাকআতের ) পরিপন্থী । আর সে (মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ) নির্ভরযোগ্য আস্থাভাজন ।
(মাজমু ফাতাওয়া অ রাসাইল ১৪/২৪৮)।
لكن السند هنا منقطع فان يزيد بن رومان لم يدرك عمر(شرح زاد المستقنع للحمد 7:24)
কিন্ত এখানে সানাদটি বিচ্ছিন্ন ।কেননা ইয়াযিদ বিন রুমান উমার রাঃ কে পায়নি (শারহু যাদিল মুস্তাকনি ৭/২৪)।
আমরা উপরোক্ত মুহাদ্দিসীনে কিরামের তাহকীক দ্বারা অবগত হলাম যে,আসারটি যঈফ।
প্রকাশ থাকে যে, এই হাদীসের নিচে ইমাম বাইহাকীর উক্তি যে, উভয় হাদিসকে একত্রিত করলে বলা যেতে পারে , আগে এগারো রাকআত তারপর কুড়ি রাকআত ও তিন রাকআত বিতর পড়েছেন । এই কথা সঠিক নয় বরং আয়েশা রাঃ এর বর্ণিত এগারো রাকআত এর পরিপন্থী ।
উপরের দুটিই বর্ণনা যঈফ ।কারণ ১)ইমাম বায়হাকীর শিক্ষক মাজহুল বা অপরিচিত ।
২)ইয়াযিদ বিন খুসায়ফা তাঁর থেকে অধিক বিশ্বস্ত বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ বিন ইউসুফের বিপরীত বর্ণনা করেছেন ।
৩) ইয়াযিদ বিন রুমান উমার রাঃ কে পায়নি ।
আরও একটি আসার রয়েছে , আর তা হল
حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، «أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ أَمَرَ رَجُلًا يُصَلِّي بِهِمْ عِشْرِينَ رَكْعَةً»
ইয়াহইয়া ইবনু সাইদ বলেন,নিশ্চয় উমার রাঃ এক ব্যক্তিকে কুড়ি রাকআত পড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন (মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ হা/৭৬৮২)।
وفيه أن يحيى بن سعيد الأنصاري لم يدرك عمر، كما اعترف به النيموني. وقال ابن المديني: لا أعلمه سمع من
صحابي غير أنس، فهذا الأثر منقطع لا يصلح للاحتجاج
এই আসারটিও যঈফ । কারণ ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল আনসারী উমার রাঃ কে পায়নি ।যেমনটি স্বীকার করেছেন ইমাম নিমুভী ।আলী ইবনুল মাদীনী রহঃ বলেন,আনাস রাঃ ছাড়া কোন সাহাবী থেকে সে শুনেছে এটা আমি জানিনা ।এই আসারটি বিচ্ছিন্ন ।এটা থেকে দলীল নেওয়া ঠিক নয় (মিরআত ৪/৩৩৪ আসারুস সুনান ২/৫৫)।
বলা বাহুল্য যে, এই হাদীস সহীহ হলেও কুড়ি রাকআত (২০) তারাবীহ প্রমাণিত হবে না ।
কারণ,১) এই আসার তিনটি উমার রাঃ এর নির্দেশিত সহীহ হাদীসের পরিপন্থী ।
হাদিসটি হল
مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ ابْنِ أُخْتِ السَّائِبِ عَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ أَنَّهُ قَالَ : أَمَرَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رَضِىَ اللَّهُ عَنْهُ أُبَىَّ بْنَ
كَعْبٍ وَتَمِيمًا الدَّارِىَّ أَنْ يَقُومَا لِلنَّاسِ بِإِحْدَى عَشْرَةَ رَكْعَةً
সাইব বিন ইয়াযিদ বলেন, উমার রাঃ উবাই বিন কাব ও তামীম আদ দারী রাঃ কে নির্দেশ দেন তাঁরা যেন লোকেদের এগারো (১১) রাকআত তারাবীহ পড়ান (মুয়াত্তা হা/৩৭৯ বায়হাকী হা/৪২৮৭)।
এই হাদিসটি বিভিন্ন হাদীস গ্রন্থে আছে।যেমন, শারহুস সুন্নাহ লিল বাগাবী ৪/১২০, কিয়ামুল লাইল লিল মারওয়াযী ২০০পৃষ্ঠা ,মারিফাতুস সুনান অল আসার লিল বায়হাকী হা/১৩৬৬ কানযুল উম্মাল হা/২৩৪৬৫ আস সুনানুল কুবরা লিন নাসায়ী হা/৪৬৮৭)।
এই হাদীসটির তাহকীক ।
১) এই হাদীসের সমস্ত বর্ণনাকারী বিশ্বস্ত ।
২) এই সানাদের কোন রাবির উপর কোন মুহাদ্দিস জারাহ করেননি ।
৩) এই সানাদেই একটি বর্ণনা সহীহুল বুখারী কিতাবুল হজ হা/১৮৫৮ তে বর্ণিত হয়েছে ।
৪) শাহ অলিউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহ্লভী বলেন,মুয়াত্তার সমস্ত হাদীস সহীহ (হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগাহ ২/২৪১ উর্দু )।
৫) ইমাম তহাবী হানাফী দলীল হিসাবে গ্রহণ করেছেন (মাআনিল আসার ১/১৯৩)।
৬) এই আসারটিকে আল মুখতারাহতে নিয়ে এসে সহীহ হওয়া প্রমাণ করেছেন (ইখতিসারু উলুমিল হাদীস ৭৭ পৃষ্ঠা )।
৭) ইমাম তিরমিযী এইরূপই একটি সানাদকে হাসান সহীহ বলেছেন (তিরমিযী হা/৯২৬)।
৮) ইমাম নিমুবী হানাফী এই বর্ণনাকে সহীহ বলেছেন (আসারুস সুনান ২৫০ পৃষ্ঠা)।
বর্ণনাকারী সাহাবী সাইব বিন ইয়াযিদ নিজেই তাঁর তারাবীহ রাকআত সংখ্যা সম্পর্কে বর্ণনা দিচ্ছেন ,আর তা হল
كنا نقوم في زمان عمر بن الخطاب رضي الله عنه باحدي عشرة ركعة
আমরা উমার রাঃ এর যুগে এগারো (১১) রাকআত তারাবীহ পড়তাম (সুনানু সাইদ বিন মানসুর আল হাবী লিল ফাতাওয়াসহ ১/৩৪৯ হাশিয়াহ আসারুস সুনান ২৫০)।
এই আসারটির সমস্ত বর্ণনাকারী জমহুরের নিকট বিশ্বস্ত ও সত্যবাদী ।
ইমাম সুয়ুতী রহঃ বলেন, মুসান্নাফ সাঈদ বিন মানসুরের (এগারো রাকআতের বর্ণনা) খুবই সহীহ সানাদে বর্ণিত(আল মাসাবীহ ফী সলাতিত তারাবীহ লিস সুয়ুতী ১৫ পৃষ্ঠা আল হাবী লিল ফাতাওয়া ১/৩৫০)।
উক্ত হাদীসদ্বয় হতে প্রমাণিত হল যে,উমার রাঃ এর নির্দেশ ও সাইব বিন ইয়াযিদের বর্ণনা বা আমল দ্বারা উমার রাঃ এর যুগে এগারো রাকআত তারাবীহ হতো এটাই সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত ।আলহামদু লিল্লাহ ।
বলা বাহুল্য যে, সাইব বিন ইয়াযিদ নিজেই যেখানে উমার রাঃ এর যুগে এগারো রাকআত তারাবীহ পড়ার কথা বলছেন সেখানে তিনি কিভাবে ইয়াযিদ বিন খুসাইফাকে কুড়ি রাকআত তারাবীহ পড়ার কথা বলবেন?
আরও একটি আসার হল
أَنَّ عُمَرَ جَمَعَ النَّاسَ عَلَى أُبَيٍّ وَتَمِيمٍ فَكَانَا يُصَلِّيَانِ إِحْدَى عَشْرَةَ رَكْعَةً
নিশ্চয় উমার রাঃ লোকেদের উবাই বিন কাব ও তামীম দারীর কাছে একত্রিত করেছেন,আর তাঁরা এগারো রাকআত তারাবীহ পড়াতেন (মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বা হা/৭৬৭১)।
এই সানাদের সমস্ত বর্ণনাকারী বুখারী ও মুসলিমের রাবী ।সুতরাং হাদিসটি নিঃসন্দেহে সহীহ ।
তাইতো আবু বাকর ইবনুল আরাবী খুবই সুন্দর কথা বলেছেন,সঠিকটা হল এগারো রাকআত পরাই চাই কেননা এটাই নবী সঃ এর নামায ও কিয়াম ছিল এছাড়া যা রাকআত সংখ্যা আছে তার কোন ভিত্তি নেই (আরিযাতুল আহওয়াযী শারহুত তিরমিযী ৪/১৯)।
ইমাম মালিক রহঃ বলেন,
الذي اخذ لنفسي في قيام رمضان هو الذي جمع به عمر بن الخطاب الناس احدي عشرة ركعة وهي صلوة رسول الله صلي الله عليه وسلم ولا ادري من احدث هذا الركوع الكثير(كتاب التهجد صفحة 176 حديث 890)
আমিতো নিজের জন্য তারাবীহ এগারো রাকাতেরই প্রবক্তা ।যা উমার রাঃ লোকেদেরকে এগারো রাকআতের উপর একত্রিত করেছিলেন।আর ওটাই রাসুলুল্লাহ সঃ এর সলাত । আমি জানিনা লোকেরা কিভাবে এত বেশি রাকআত বের করে নিল (কিতাবুত তাহাজ্জুদ হা/৮৯০)।
উক্ত উক্তি থেকে স্পষ্ট হয়ে গেল যে,উমার রাঃ লোকেদের সেই এগারো রাকআতের উপরই একত্রিত করেছিলেন যেটা নবী সঃ পড়েছেন ।
সুতরাং এটা দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট যে,উমার রাঃ এর এগারো রাকআত পড়ানোর নির্দেশ প্রদানসহ লোকেদেরকে এগারো রাকআতের উপর একত্রিত করা সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত । এর পরিপন্থী বর্ণনা গ্রহণযোগ্য নয় ।
প্রিয় পাঠক একটি হাদীস দিয়ে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি , আর তা হল
ইয়াযিদ বিন খুসাইফার হাদীসের প্রেক্ষাপটে ঃ
জাবির বিন আব্দিল্লাহ রাঃ বলেন,
أبو الزبير، قال: سمعت جابر بن عبد الله، يقول: «كنا نستمتع بالقبضة من التمر والدقيق، الأيام على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم، وأبي بكر، حتى نهى عنه عمر، في شأن عمرو بن حريث»
আমরা রাসুলুল্লাহ সঃ ও আবু বাকর রাঃ এর যুগে এক মুঠ খেজুর কিংবা আটা দিয়ে মুতআহ(নিকাহ বা বিবাহ)করতাম এই পর্যন্ত উমার রাঃ নিষেধ করে দিলেন ।আমর বিন হুরাইসের ব্যাপারে (সহীহ মুসলিম হা/১৪০৫,২৪৯৭)।
জাবির বিন আব্দিল্লাহ রাঃ এর এই হাদীস থেকে কেও কি প্রমাণ করবে যে,নিকাহে মুতআহ আবু বাকর রাঃ এর যুগে বৈধ ছিল? আবু বাকর রাঃ কি মুতআহ বিবাহ বৈধ মনে করতেন? যেটা নবী সঃ কিয়ামত পর্যন্ত হারাম করে দিয়েছেন । কি উত্তর আছে এই হাদীসের ?
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সকলকে সহীহ হাদীস অনুযায়ী আমল করার তাওফীক দিন আমীন ।

